প্রত্যেক স্ত্রীর চারটি করে স্বামী থাকে আপনি হলেন চতুর্থ   স্বামীবর্তমান সমাজে নারী স্বাধীনতা গর্ব করার মতো জায়গায় নেই সমাজ বিভিন্নভাবে স্বাধীনতা খর্ব করে থাকে কিন্তু একসময় নারী স্বাধীনতা এবং  স্বতন্ত্রতা ছিল প্রাচীন ভারতের নিয়ম অনুসারে প্রত্যেক স্ত্রীর চারটি করে স্বামী থাকে কিন্তু এটি কিভাবে সম্ভব?    


 যে পুরুষ তার স্বামী হিসাবে জানে পৌরাণিক নিয়ম অনুসারে তার   চতুর্থ নম্বর স্বামী একজন মহিলার চারজন স্বামী উল্লেখ পাওয়া যায় তার বিয়ের উচ্চারিত মন্ত্রে আজকের দিনে যারা সনাতন ধর্মে    মেনে বিয়ে করেন তাদের মধ্যে প্রকৃত মন্ত্রের অর্থ বোঝেন এমন মানুষ  দুর্লভএর ফলে সে জানতে পারে না বিয়ের  মন্ত্রে ঠিক কী বলা হচ্ছে

 বিয়ের সময় যে মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় সেই মন্ত্র অনুসারে কোন নারীকে  লৌকিক স্বামীর হাতে অর্পণ করার আগে তিনজন দেবতা অর্থাৎ  গন্ধর্ব হাতে অর্পণ করা হয়

  বিবাহের আসনে বসা কন্যাকে প্রথমে অর্পণ করা হয়  চন্দ্রের হাতে তারপর সে অর্পিত হয়   বিভাবাসু নামে গন্ধর্ব  হাতে তারপরে অর্পিত হয় অগ্নির হাতে একেবারে বিবাহের আসনে বসে থাকা পুরুষ টিকে  স্বামী হিসেবে ঘোষণা করা হয়

 অর্থাৎ বৈদিক নিয়ম অনুসারে  যে পুরুষ কোন মহিলার স্বামী হিসেবে পরিচিত হন তিনি আসলে তার চতুর্থ  স্বামী।