করোনা ভাইরাসটির আর এক নাম 2019  ওয়ান নাইন এন সি অভি এটি এক  ধরনের  ভাইরাস  এর অনেক রকম প্রজাতি আছে কিন্তু এর মধ্যে মাত্র সাতটি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। বিজ্ঞানীরা জানাছে  মানুষের দেহ কোষের ভেতরে ইতিমধ্যে মিউট করছে  অর্থাৎ গঠন পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিচ্ছে এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করছে আরো বেশী বিপদজনক হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন একজন মানুষের দেহে থেকে আরেকজন মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ছে কতটা ভয়ঙ্কর এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে এটি একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়িয়ে পড। সাধারণ ঠান্ডা লাগার মতো করেই ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে তবে এর পরিণামে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিউমোনিয়া এবং মৃত্যু ঘটছে ।এখনো পর্যন্ত আক্রান্তদের 2 শতাংশ বেশি মারা গেছে হয়তো আরও মৃত্যু হতে পারে তাছাড়া এমন মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে যা চিহ্নিত করা যায়। তাই এই ভাইরাসটি কতটা ভয়ঙ্কর তা তো আপনারা বুঝতেই পারছেন এর আগে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে মৃত্যু হয়েছিল সেটিও ছিল এক ধরনের করোনাভাইরাস এক হাজারেরও বেশি মানুষ 2012 সালে মৃত্যু হয় ৮৫৮ জন এর ।এবার আসি সংক্রমণের লক্ষণ

সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হলো শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া এবং কাশি ও জর  বিজ্ঞানীরা বলছেন ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায়  ৫ দিন সময় লাগে তারপর দেখা দেয় শুকনো কাশি শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং তখনই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় আর যদি না হয় তার ফল ভয়ানক হতে পারে ।

কিভাবে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস মধ্য চীনের ওমান শহর থেকে এই রোগের সূচনা 31 ডিসেম্বর এই শহরে নিউমোনিয়ার মতো একটি রোগ ছড়াতে দেখে প্রথম চীনের কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কে সতর্ক করে প্রথম একজনের মৃত্যু হয় ।তবে কিভাবে সংক্রমণ শুরু হয়েছিল তা নিশ্চিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা তারা বলছেন প্রাণীর দেহ থেকে এসেছে এবং কোন মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং তারপর মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়েছে।

 এর আগে মাস ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রথমে বাদুড় এবং পরে গন্ধগোকুল থেকে মানুষের  ঢোকার নজির রয়েছে । রয়েছে ভাইরাস ছড়িয়ে ছিল ওর থেকে আর এই ভাইরাস মনে করা হচ্ছে যে  বাদুড় খরগোশ এই ধরনের প্রাণী থেকেই মানুষের শরীরের এসেছে।